নেপালের সংখ্যালঘু মুসলিম পরিবারগুলোর সামনে এখন নতুন করে বেঁচে থাকার প্রশ্ন।
নেপালের সংখ্যালঘু মুসলিম পরিবারগুলোর সামনে এখন নতুন করে বেঁচে থাকার প্রশ্ন। 🤲 আসুন, নেপালের বিপর্যস্ত সংখ্যালঘু মুসলমানদের পাশে দাঁড়াই।
মাটি এতটাই নরম ও বিপজ্জনক—ত্রাণকাজ করতে গিয়েও বারবার বালু ও কাদামাটিতে ডুবে যেতে হয়েছে।
চারপাশের ধ্বংসস্তূপ দেখে মনে হয়েছে, এই জায়গাগুলো এখন আর মানুষের বসবাসের উপযোগী নেই।
সবচেয়ে বেশি কষ্টের বিষয়—নেপালের সংখ্যালঘু মুসলিম পরিবারগুলোর সামনে এখন নতুন করে বেঁচে থাকার প্রশ্ন।
মুসলমানের সংখ্যা এমনিতেই খুব কম—৫%-এরও কম। এই দুর্যোগের পর তারা কোথায় যাবে, কোথায় থাকবে, কীভাবে ঘর তুলবে—কিছুই জানে না।
দেবিঘাটে একটি মসজিদ রয়েছে। কিন্তু ত্রিশূলী এলাকায় প্রায় ১৬–১৭টি মসজিদ ও মাদ্রাসা বন্যার ভয়াবহতায় বিলীন হয়ে গেছে।
অসংখ্য পরিবার এক কাপড়ে কোনোমতে জীবন বাঁচিয়েছে। খাবার, পোশাক, বাসস্থান, চিকিৎসা—প্রয়োজনের তালিকা অনেক দীর্ঘ।
আমরা সরেজমিনে তাদের কষ্ট দেখেছি।
এখন শুধু আফসোস করার সময় নয়—পাশে দাঁড়ানোর সময়।
ভাই, আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করুন।
আপনার সামান্য অনুদানও একটি অসহায় পরিবারের জন্য বড় আশ্রয় হতে পারে।
🤲 আসুন, নেপালের বিপর্যস্ত সংখ্যালঘু মুসলমানদের পাশে দাঁড়াই।
বাংলাদেশ থেকে পৌঁছে দিই ভালোবাসা ও মানবিকতার বার্তা।
ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবার পাশেই ইনশাআল্লাহ আমরা দাঁড়াবো তবে যাকাতের অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে আমাদেরকে ইনবক্সে জানানোর অনুরোধ।
দান করার মাধ্যম
📌 রেফারেন্স: N26
টাকা পাঠানোর সময় অবশ্যই “N26” রেফারেন্স ব্যবহার করুন।
কর্পোরেট ডোনেশন
মোবাইল ব্যাংকিং
বিশেষ দ্রষ্টব্য
📌 টাকা পাঠানোর সময় অবশ্যই “N26” রেফারেন্স ব্যবহার করুন।
সরাসরি অফিসে দান করুন
পিসব
বাসা-২৫, রোড-৩১, ব্লক-ডি,
পল্লবি, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২১৬